প্রতিষ্ঠাতা

প্রধান শিক্ষক

মহান ব্যক্তি শহীদ আলতাফ উদ্দিন বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ থানার অন্তর্গত আগরপুরের বুকে প্রথম তিনি আলো দেখিয়ে ছিলেন। আলতাফ ছিলেন সাহসী ও অন্যায়ের প্রতি তিনি ছিলেন ক্ষমাহীন। বিপদকে তুচ্ছ করে সকল কাজে দ্বিধাহীন চিত্তে ঝাঁপিয়ে পড়ার মানষিকতা ছিল। ভারত জুড়ে সাধীনতা আন্দোলনের টেউ উঠল। আলতাফ তখন মাট্রিক পরীক্ষার প্রস্ততি নিচ্ছিলেন। পড়াশুনা করে জীবনে উন্নতি করবেন ও বিধবা মাকে খুশী করবেন ভেবে কিছুদিন কোন আন্দোলনের প্রতি দৃষ্টি না দিয়ে মনোযোগের সংগে তৈরী হতে থাকলেন আসন্ন পরীক্ষার জন্য। কিন্তু দুস্থ মানবতার সোব যার জীবনের চরম আকর্ষণ ব্যক্তিগত স্বার্থ তাকে কতক্ষণ আটকে রাখতে পারে? একদিকে নিজের ভবিষ্যত উন্নতি বিধবা মায়ের সকাতর অনুনয় অন্যদিকে নিপীড়িত মানুষের মুক্তি আন্দোলন, শুরু হলো দুইয়ের মাঝে দ্বন্দ। শেষ পর্যন্ত তার সংগ্রামী চেতনার জয় হলো। নির্যাতিত দেশ ও দেশবাসীর মুক্তি আন্দোলনে সাড়া দিলেন তিনি। শেষ হলো ছাত্র জীবন। গ্রামের উৎসাহী ছেলেদের নিয়ে প্রথম শুরু করেন “আগরপুর জুনিয়র হাই স্কুল” । বর্তমানে স্কুলটির নাম আগরপুর আলতাফ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এছাড়া বরিশাল শহরের আলেকান্দাতে শহীদ আলতাফ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়।রয়েছে। ১৯৪৭ সালে আলতাফ উদ্দিন বরিশাল মুসলিম লীগের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ১৯৫০ সালে সাম্প্রতিক দাঙ্গায় ছেয়ে গেল দেশ। দাঙ্গায় প্রতিরোধে তিনি শান্তি কমিটি গঠন করলেন। সরকারী প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে এক পর্যায় তার জীবন দিয়ে দাঙ্গার অবসান ঘটাল। “নিঃশেষে প্রান, যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার, ক্ষয় নাই তা “।